155
Sharesপাহাড়, টিলা আর সবুজে ঘেরা সিলেটের কৃষিতে অন্যতম সমৃদ্ধতম অঞ্চল গোলাপগঞ্জ উপজেলা।
ধান ও নানা রকম সবজী উৎপাদনের পাশাপাশী এবার সেখানে বানিজ্যিক ভাবে চাষ শুরু হয়েছে ব্রোকলী, কফিসহ নতুন নতুন ফসল।
আনারস, কমলা, মাল্টার মতো ফলের উৎপাদনেও অপার সম্ভাবনার অঞ্চল এই গোলাপগঞ্জ।
তবে হঠাত বন্যা, পাহাড়ি ঢল, অতি বৃষ্টি ও সেচ সমস্যার কারনে কৃষিতে পিছিয়ে থাকছে এ অঞ্চলটি।
তাই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সিলেট অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে গোলাপগঞ্জে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ মজিবুর বলেন সিলেট অঞ্চলে প্রচুর জমি পতিত অবস্থায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী ১ ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবেনা।
তিনি বলেন সারা পৃথিবীতে যতই যুদ্ধ সঙ্গগঠিত হোক আমাদের উৎপাদন থাকলে তা আমাদের উপর কোন প্রভাব বিস্তার করবে না।
তিনি আরো বলেন সকল সংকট ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে সিলেট অঞ্চলে আমাদের কৃষি পন্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। সেচ সমস্যা নিরসনে সব ধরনের সহোযোগীতার আশ্বাস দেন তিনি।
তিনি ধান ফসলের পাশাপাশি ডাল জাতীয় ফসল উৎপাদনে কৃষকদের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুর কাদির শাফি, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সিলেটের উপ পরিচালক খয়ের উদ্দীন মোল্লা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আনিসুজ্জামান। এসময় কৃষির সাথে সংস্লিষ্ঠ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ দুইশতাধিক কৃষক অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে ১০ জন কৃষকের মধ্যে ৫ কেজি মাসকালাইয়ের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার বিতরন করা হয়।