263
Sharesমহামারি প্রতিরোধে যে কোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বের সঙ্গে এক হয়ে বাংলাদেশ কাজ করতে প্রস্তুত-প্রধানমন্ত্রী।
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ সংক্রান্ত জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের ভার্চুয়াল সংলাপে গণভবন থেকে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাই লেভেল ইন্টারেকটিভ ডায়লগ অন অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিসট্যান্স (এএমআর) এর ভার্চুয়াল সংলাপে বৈশ্বিক মহামারি করোনায় অনিয়ন্ত্রিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এএমআর বিষয়ক বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা, এএমআর বিষয়ক জাতিসংঘের রাজনৈতিক ঘোষণা এবং এএমআর বিষয়ক সমস্যা মোকাবিলায় জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।' এছাড়া এএমআর বিষয়ে অংশীদারদের সঙ্গে প্রস্তুত থাকার কথাও জানান শেখ হাসিনা। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ মহামারিসহ যে কোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় ৫ দফা প্রস্তাবে তাগিদ দেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্তরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলায় পাঁচটি কর্মের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এগুলো হলো- স্বল্প ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে বিশেষ মনোযোগসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক উভয় স্তরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত কর্ম পরিকল্পনাসহ এএমআরে সংহত বহু-বিভাগীয় কর্ম পরিকল্পনা।
ভালো উৎপাদন, পরীক্ষাগার অনুশীলন এবং নজরদারি কাঠামো। প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মালিকানা ভাগ করে নেয়ার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যের এবং কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর যথাযথ অ্যাক্সেস। এএমআর নিয়ন্ত্রণের ক্রিয়াকলাপের জন্য টেকসই অর্থায়ন। এছাড়া সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এএমআর মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা।