104
Sharesহঠাৎ পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছিলো। আবার কয়েক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দামে কমায় স্বস্তি ফেরেছে সাধারণ মানুষের মাঝে। গতকাল থেকে সিলেটের বাজারে এলসি পেঁয়াজের প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকা কমে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা আজ সোমবার (১৪ মার্চ) পেঁয়াজে দাম আরও কমবে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ৪০-৪৫ টাকার পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি হয়ে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়। তবে গত দু-তিনদিন থেকে এলসি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। কেজিপ্রতি কমেছে ২০-২৫ টাকা। দাম বাড়ার পর ব্যবসায়ীরা বলেছিলেন, তারা আড়ৎ থেকে বেশি দামে কিনায় বেশি দামে বিক্রি করতে হয়েছিল।
আড়ৎদাররা বলছিলেন, বাজারে সরবরাহ কম। নতুন পেঁয়াজ এলে দাম কমবে। পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে আবার হুট করে কমে যাওয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, দেশে প্রচুর পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এ ছাড়া বাজারে হালি পেঁয়াজ উঠছে। এ কারণে পেঁয়াজের দাম কমেছে। সামনে দাম আরও কমবে বলে আশা করছেন তারা।
সিলেটের কালিঘাটের ব্যবসায়ীরা জানান, গত দু-তিন দিনে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০-২৫ টাকা কমেছে। দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ খুচরা ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন, দুদিন আগেও ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। যা দুদিন আগেও ছিলো ৫০-৫৫ টাকা।
এর আগে ছিলো ৬০ টাকা। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারে মুড়িকাটা পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। হালি পেঁয়াজও উঠতে শুরু করেছে। তাই পেঁয়াজের দাম কমেছে। এদিকে, কয়েক দিনের মধ্যে এমন হঠাৎ বেড়ে আবার হুট করে দাম নেমে যাওয়ার ঘটনা দেশে আর কখন ঘটেছে মনে করতে পারছেন না সাধারণ ক্রেতারা। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা- যেসব পণ্যের দাম সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে, তা পেঁয়াজের মতোই যেন নেমে আসে।
দেশে চাল, তেল, ডালসহ প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে যখন অস্থিরতা চলছে, তখন পেঁয়াজের এই বিপরীতমুখী যাত্রা অবাক করেছে ক্রেতাদের। তবে তাতে স্বস্তিও আছে। সাধারণ মানুষ আশা করছেন- রোজার আগে অন্যান্য পণ্যের দামও এভাবে কমে আসবে।