112
Sharesসিলেটের দক্ষিণ সুরমার কুচাইয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক শাহাবুদ্দিন আহমদ সাবুল (৪৫)-কে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টায় ১৩ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৬-৭ জনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করেন নিহতের বোন তাহমিনা খানম রাজনা। এ ঘটনায় এজাহার নামীয় ৬ জনকে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করেছে সিলেট মহানগরের মোগলাবাজার থানাপুলিশ।
মামলায় এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন, একই এলাকার পাশের বাড়ির কামরুল ইসলাম, কামরান মিয়া, মৃত ময়না মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম, বদরুল ইসলাম, আব্দুল মালিক মালাই, ফখরুল ইসলাম, মালাইর ছেলে ইমন, ফখরুলের ছেলে সুমেল, মিজান, সালেহ আহমদের মেয়ে মাহবুবা আলম মুন্নি, মালইর মেয়ে ফাহিমা আক্তার জেনি, মালাইর স্ত্রী সিরাজুন বেগমসহ অজ্ঞাত ৬/৭ জন। গ্রেপ্তার ৬ জন হলেন, কামরান মিয়া, বদরুল ইসলাম, আব্দুল মালিক মালই, মাহবুবা আলম মুন্নি, ফাহিমা আক্তার জেনি ও সিরাজুন বেগম।
প্রসঙ্গত, প্রতিপক্ষের লোকজনের হামলায় শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় কুচাই গ্রামের পূর্বপাড়ায় খুন হন শাহাবুদ্দিন আহমদ সাবুল (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ আখন মিয়ার ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ১০টায় শাহাবুদ্দিন আহমদ সাবুল তাঁর নিজ ঘরের সামনের কয়েকটি গাছ কাটেন। এই গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে তার উপর হামলা চালান পাশের ঘরের ময়না মিয়ার ছেলে বদরুল, মালই, নজরুল, ফখরুলসহ তাদের পরিবারের লোকজন।
এ সময় তারা সাবুলকে লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করে। মাথা ফেটে সাবুলের রক্ত ঝরতে থাকলে ঘটনাস্থলে নিস্তেজ হয়ে পড়েন। এ সময় হামলায় সাবুলের মা নেওয়া বেগমও আহত হন। সাবুলকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা সিলেটভিউকে জানান, এ ঘটনায় কামরান মিয়া, বদরুল ইসলাম, আব্দুল মালিক মালই, মাহবুবা আলম মুন্নি, ফাহিমা আক্তার জেনি ও সিরাজুন বেগমকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহতের বোন হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ পলাতক আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহ রেখেছে।