সিলেট প্রতিক্ষণ



ডেস্ক রিপোর্ট

অগাস্ট / ২৫ / ২০২২


হরতাল

সিলেটসহ সারাদেশে চলছে হরতাল


187

Shares

জ্বালানি তেল, সার, খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের দাম, পরিবহন ভাড়া কমানোর দাবিতে এবং বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে অর্ধদিবস হরতাল পালন করছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। সিলেটসহ সারাদেশে চলছে এই হরতাল। তবে সিলেটের এর প্রভাব কম।

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে ঢাকার পুরানা পল্টন মোড়ে হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিলের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, “এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে আমরা হরতাল পালন করছি।

কোথাও থেকে বাধা দেয়ার খবর পাইনি।” রাজধানীতে মূলত পল্টন থেকে কাঁটাবন পর্যন্ত এলাকায় ছোট ছোট মিছিলের মধ্য দিয়ে বাম জোটের এ কর্মসূচি চলছে। নগরীর অন্যান্য এলাকায় হারতালকারীদের তেমন কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।

বাম গণতান্ত্রিক জোট জানিয়েছে, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও মরদেহ বহনকারী গাড়ি, গণমাধ্যমের গাড়ি, ওষুধের দোকান ও খাবার হোটেল হরতালের আওতার বাইরে থাকবে। তবে রাজধানীর সব সড়কেই দেখা গেছে অফিসগামী যাত্রীদের স্বাভাবিক চাপ।

গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িও চলছে অন্যদিনের মত। হরতালের কারণে পল্টন, পলাশী, শাহবাগ মোড়ে বাড়তি পুলিশ সদস্য দেখা গেছে, যা অন্যদিন থাকত না। রমনা বিভাগের পুলিশের সহকারী কমিশনার (পেট্রোল) বাহাউদ্দিন বলেন, "স্বাভাবিকভাবে সবকিছু চলছে।

গাড়ি, মানুষের চলাচল স্বাভাবিক আর পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ।" বাম জোটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে পল্টন মোড়ের আশপাশের এলাকা প্রদিক্ষণ করছে। পুলিশ সদস্যরা আশপাশে দাঁড়িয়ে আছেন।

এর মধ্যেই চলছে যানবাহন। সকাল পৌনে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হরতালের সমর্থনে ২৫ থেকে ৩০ জন মিছিল নিয়ে শাহবাগ এলাকা দিয়ে ঘুরে আজিজ সুপার মার্কেটের দিকে চলে যান।

মিনিট বিশেষ পর বাম ছাত্রসংগঠনগুলোর আরেকটি মিছিল শাহবাগ মোড় অবস্থান নেয়। এ সময় পরিবহন চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। তবে মিনিট পাঁচেক পর অবস্থানকারীরা মিছিল করতে করতে কাঁটাবনের দিকে চলে যান।

তারা কাঁটাবন মোড়ে অবস্থান নিলে যান চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে, তবে পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ছোট ছোট মিছিলে চলছে বাম জোটের হরতাল সকাল পৌনে ৯টার দিকে বাংলামোটর থেকে ‘প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠন সমূহ’ ব্যানারে একটি মিছিল শাহবাগ মোড়ে আসে।

এ সময় পুলিশের সঙ্গে মিছিলকারীদের বাগবিতণ্ডা হয়। পুলিশ তাদের ঠেলে, লাঠিপেটা করে কাঁটাবনের দিকে পাঠিয়ে দেয়। রমনা বিভাগের পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, “এই মিছিলকারীরা সকালে ৫/৬ মিনিট শাহবাগ মোড়ে ছিল।

কয়েকবার শাহবাগ দিয়ে মিছিল নিয়ে যাতায়াত কছে। কিন্তু এবার শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিতে চায়। রাস্তায় এখন প্রচুর গাড়ির চাপ। তাই পুলিশ তাদেরকে রাস্তায় অবস্থান নিতে দেয়নি।”

এদিকে বুধবার রাতে একটি মিনিবাস ভাঙচুরের অভিযোগে বাম গণতান্ত্রিক জোটের চারজনকে আটক করে পুলিশ। পল্টন মডেল থানার ওসি মো. সালাহ উদ্দিন মিয়া বলেন, বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে পল্টন মোড়ে ওই মিনিবাসটি ভাঙচুর করা হয়।

সিলেট প্রতিক্ষণ