শিল্প ও সাহিত্য



ডেস্ক রিপোর্ট

ফেব্রুয়ারী / ২০ / ২০২২


news part

বইমেলা : বাড়ছে ভিড় বইপ্রেমীদের


147

Shares

মেলায় আসতে শুরু করেছেন প্রকৃত বইপ্রেমীরা। স্টল থেকে স্টলে ছুটছেন তারা। কিনছেন পছন্দের বইটি। ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারাও। তাদের মতে, মেলার প্রথম পক্ষ পার হয় মানুষের ঘোরাঘুরির মধ্যে। খোঁজ নেন তারা নতুন কী বই এসেছে, কী কী বই আসতে পারে। এরপরই শুরু হয় বই ক্রয়। সে প্রত্যাশাতেই আছেন বিক্রেতারা। অমর একুশে বইমেলার পঞ্চম দিনে নতুন বই এসেছে ১৪৩টি। এছাড়া ১১টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। মেলা চলে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯:০০টা পর্যন্ত।

পাঁচ বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বইমেলায় এসেছিলেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমদাদুল আজাদ। এক স্টল থেকে অন্য স্টলে ঘুরে ফিরে বই দেখার পাশাপাশি দুটি বই কিনেও নিয়েছেন তিনি। বললেন, ‘ছোট্ট সময় থেকেই প্রতিবছর বই মেলায় আসা হয়। সারা বছরই যেন বইমেলার জন্য এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা মনে জমা থাকে। মাঝে এক বছর অসুস্থতাজনিত কারণে বইমেলায় আসতে পারিনি। আমার কাছে সেই পুরো বছরটি অপূর্ণ মনে হয়েছে। এই বছর আজ প্রথম দিন আসলাম। সামনে আরও আসব এবং অনেক বই কিনব’। অনিকের সঙ্গের আরেক বন্ধু শামিম রহমান বললেন, ‘আজকে মূলত পুরো বইমেলায় ঘুরে দেখার জন্য এসেছি।

সঙ্গে বইও পছন্দ করে যাব। উপন্যাস ও ছোটগল্প আমার বেশ পছন্দ। আজকে সব ঘুরে ঘুরে পছন্দ করে যাব সামনে আরেক দিন এসে এগুলো কিনব’। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অমিত চক্রবর্তী এসেছেন তিন বন্ধুর সঙ্গে। বললেন, ‘ক্যাম্পাস খোলা থাকলে প্রতিবছরই দুই-তিনবার আসা হয় বইমেলায়। কিন্তু এবার ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় সেই সুযোগটা নেই। ঢাকায় বিশেষ কাজে এসেছিলাম এই ফাঁকে বন্ধুরা সবাই একসঙ্গে যোগাযোগ করে চলে এলাম বইমেলায়। আজকেই আবার রাতের গাড়িতে গ্রামের বাড়ি চলে যাব। যেহেতু আপাতত আর ঢাকা আসছি না তাই কিছু বইও কিনে নিলাম।আমার বাবা উপন্যাস পড়তে পছন্দ করেন। তাই বাবার জন্য দুটি উপন্যাস নিয়ে নিলাম। মায়ের জন্য একটি কাব্যগ্রন্থ নিলাম। এ ছাড়াও ছোট ভাইবোনদের জন্য দুটি গল্পের বইও নিয়েছি’।

গতকালের অনুষ্ঠানসূচি :

বিকেল ৪টায় ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী : উন্নয়নে নারী’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রবন্ধ পাঠ করেন জোবায়দা নাসরীন এবং আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাওজিয়া মোসলিম ও তাসমিমা হোসেন। সভাপতিত্ব করেন নাছিমা বেগম। এসময় আলোচকরা বলেন, ‘যেকোন দেশের জাতীয় বিকাশে নারীর যেমন ভূমিকা থাকে আবার এই বিকাশের মাধ্যমে নারীরও উন্নয়ন ঘটে।

নারী আন্দোলন একরৈখিক আন্দোলন নয়। নারী আন্দোলনের কেন্দ্রেই আছে লৈঙ্গিক সমতা অর্জন। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরও নারীকে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক মনে করার প্রবণতা দেখা যায়। টেকসই উন্নয়নের একটি শর্ত হলো সব ক্ষেত্রে নারীর প্রতি বৈষম্য ও সহিংসতা দূর করা। সুযোগ পেলে ঘরে ও বাইরে নারী তার যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারে। নারীর উন্নয়নের জন্য পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা দূর করতে হবে’।

আজকের অনুষ্ঠানসূচি :

বিকেল ৪:০০টা বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী : বিশ্বশান্তি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন জিয়া রহমান। আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন জালাল ফিরোজ এবং খান মাহবুব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন শ্যামসুন্দর সিকদার।

শিল্প ও সাহিত্য