প্রবাস দর্পণ



ডেস্ক রিপোর্ট

জুলাই / ১৬ / ২০২২


Dolly

মৌলভীবাজারের ডলি কানাডায় বিরোধী দলের উপনেতা


219

Shares

কানাডার বৃহত্তম প্রভিন্স অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্টে বিরোধী দলীয় উপনেতা হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মৌলভীবাজারের মেয়ে ডলি বেগম।

সেখানকার রাজনৈতিক দল এনডিপি তাকে দলের উপনেতা এবং প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্টের বিরোধী দলীয় উপনেতা হিসেবে মনোনীত করেছে।

ডলি বেগম প্রথম কোনো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান, যিনি কানাডায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেলেন। ডলি বেগমের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের বাজরাকোনায়।

তার বাবা রাজা মিয়া ও মা জবা বেগম। বাজরাকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষে মনুমুখ পিটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। তবে ষষ্ঠ শ্রেণিতে থাকাকালেই প্রায় ২৩ বছর আগে পরিবারের সাথে পাড়ি জমান কানাডায়।

সেখানে ২০১২ সালে টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিকাল সায়েন্সে স্নাতক শেষে ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডন থেকে উন্নয়ন, প্রশাসন ও পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন ডলি। পড়াশোনা শেষে প্রায় ১০ মাস সিটি অব টরেন্টোতে কাজ করেন ডলি বেগম।

এ ছাড়া রিসার্চ অ্যানালিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন দ্য সোসাইটি অব এনার্জি প্রফেশনালসে। ২০১৮ সালের ৮ জুন কানাডার অন্টারিও প্রদেশের প্রাদেশিক নির্বাচনে স্কারবরো সাউথ ওয়েস্ট আসন থেকে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন ডলি বেগম।

গত জুন মাসে ডলি বেগম স্কারবরো সাউথ ওয়েস্ট আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো পার্লামেন্ট মেম্বার নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনের পর এনডিপি দলের নেতা এন্ড্রিয়া হারওয়াথ পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

এর ফলে স্থানীয় সময় গত বুধবার (১৩ জুলাই) এনডিপি দলের এবং অন্টারিওর সংসদে বিরোধীদলের উপনেতা হিসেবে ডলি বেগমকে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়।

ডলি কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং সংসদে বিরোধী দলের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেলেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই খবর নিশ্চিত করেছে।

পাশাপাশি ডলি বেগম নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এ বিষয়ে পোস্ট দিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত জুনে অনুষ্ঠিত প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট থেকে ডলি বেগম দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

নির্বাচনে ১৫ হাজার ৯৫৪ ভোট পান ডলি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রগ্রেভি কনজারভেটিভ পার্টির ব্রেট স্নিডার ৯ হাজার ৪৩৬ ভোট পান।

প্রবাস দর্পণ