127
Sharesচ্যাম্পিয়নস লীগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে অসাধারণ খেলেছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। গোটা ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের ডি-বক্সের আশপাশে ভীতি ছড়িয়েছে লা প্যারিসিয়ানরা। লিওনেল মেসিও চেষ্টার কমতি রাখেননি।
পুরো ৯০ মিনিটে অন টার্গেটে ২টি শট নেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। ড্রিবলিং সাকসেস ৭(৫), পাস একুরেসি ৮১.৬ শতাংশ, ৪ ‘কি’ পাস। তবে এক পেনাল্টি মিসই মেসির গোটা ম্যাচের নৈপুণ্য ঢেকে দিয়েছে। স্পটকিক ব্যর্থতায় লজ্জাজনক এক রেকর্ডে নাম লেখালেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। চ্যাম্পিয়নস লীগে সর্বোচ্চসংখ্যক পেনাল্টি মিসের রেকর্ডে থিয়েরি অঁরির পাশে বসলেন মেসি। ৬২তম মিনিটে মেসির উঁচু করে বাড়ানো বল দখলের লড়াইয়ে ডি-বক্সে এমবাপ্পেকে ফেলে দেন রিয়াল মাদ্রিদের রাইটব্যাক দানি কারভাহাল।
পেনাল্টির বাঁশি বাজান ম্যাচ রেফারি। আর মেসির বাঁ দিকে নেয়া দুর্বল শট ঝাঁপিয়ে ফিরিয়ে দেন থিবো কোর্তোয়া। চ্যাম্পিয়নস লীগে এখন পর্যন্ত ২৩টি পেনাল্টি শট নিয়ে ৫ বার গোল করতে ব্যর্থ হলেন পিএসজি তারকা। এর আগে আর্সেনাল কিংবদন্তি ও ফ্রান্সের সাবেক স্ট্রাইকার থিয়েরি অঁরির একার দখলে ছিল রেকর্ডটি। তবে রিয়ালের বিপক্ষে এই প্রথম পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেন মেসি। সাত পেনাল্টি থেকে ছয়বারই গোল পেয়েছেন তিনি।
কোর্তোয়ার বিপক্ষে ক্যারিয়ারে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার পেনাল্টি থেকে মেসি গোল করতে ব্যর্থ হলেন। ২০১৩ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে খেলতেন কোর্তোয়া। স্প্যানিশ সুপার কাপের ম্যাচে মেসির পেনাল্টি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয়বারের মতো মেসির পেনাল্টি রুখে দিয়ে কোর্তোয়া বলেন, ‘এমন ম্যাচে গোলকিপারের ওপর বেশ চাপ থাকে। মেসির পেনাল্টি নেয়া নিয়ে আমি অনেক বিশ্লেষণ করেছি। একটু ভাগ্যের সহায়তাও লাগে।
’ ক্লাব ও দেশের হয়ে এর আগে পাঁচটি পেনাল্টিতে গোলকিপারের বাঁ দিকে শট নিয়েছেন মেসি। আর্জেন্টাইন তারকার স্বভাবজাত পেনাল্টি শটের বিষয়টিই হয়তো চোখে পড়েছে কোর্তোয়ার। নতুন বছরে এ নিয়ে টানা তিনটি পেনাল্টি প্রতিহত করলেন কোর্তোয়া। গত ১৬ই জানুয়ারি অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের পেনাল্টি রুখে দিয়েছিলেন। এর আগে ৮ই জানুয়ারি ভ্যালেন্সিয়ার পেনাল্টি শট ব্যর্থ করেন কোর্তোয়া।